• রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

নারী বিদ্বেষী ‘সান্ধ্য আইন’ বাতিল কর

নারী বিদ্বেষী ‘সান্ধ্য আইন’ বাতিল কর

  আন্দোলন প্রতিবেদন  

শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬  |  অনলাইন সংস্করণ

১৯৯৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীরা তাদের হলে আরোপিত ‘সূর্যাস্ত আইন’-এর বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছিল। ‘সূর্যাস্ত আইন’ হলো সূর্যাস্তের সাথে সাথে শিক্ষাথর্ীদের হলে ফিরতে হবে এবং হলের গেট বন্ধ করে দেয়া হবে। এই সামন্ততান্ত্রিক আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের কারণে প্রশাসন ‘সূর্যাস্ত আইন’ কিছুটা শিথিল করে রাত ১০টা পর্যন্ত হলে প্রবেশাধিকার দেয়। তখন থেকে নানা সময়, এমনকি ২৪’র গণঅভ্যুত্থানের পরও এ নিয়ে আন্দোলন করা হয়। রাত ১০টার পর হলের বাইরে থাকা নারী শিক্ষার্থীদের প্রতিনিয়ত হল প্রশাসন দ্বারা চরিত্রহননসহ নানা হেনস্তার শিকার হতে হয়। নিরাপত্তার নামে তাদেরকে নিজ হলে নির্দিষ্ট সময় পর প্রবেশ করতে দেওয়া হয় না। 

এই অন্যায়, বৈষম্যমূলক আইনের বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদের প্ল্যাটফর্ম ‘অবরোধবাসিনী’ জুলাই’২৬-র শেষ দিক থেকে আন্দোলন শুরু করেছেন। তারা ‘সান্ধ্য-আইন’ সম্পূর্ণ বাতিল, অনাবাসিক নারী শিক্ষার্থীদের এবং নারী স্বজনদের রুমে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার তিনটি দাবিতে আন্দোলন করছেন। প্ল্যাটফর্মটিতে বিপ্লবী, গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীলসহ বিভিন্ন ধারার বাম সংগঠনের নারীরা যুক্ত আছেন। বিপ্লবী নারীমুক্তি, বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলন এবং বামধারার ছাত্র সংগঠনগুলো শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনের প্রতি পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করেছে। ‘অবরোধবাসিনী’-র দাবির প্রতি একাত্মতা পোষণ করে ১২০০’র বেশি নারী শিক্ষার্থী গণস্বাক্ষর করেছেন। 

তবে প্রতিক্রিয়াশীল, ধর্মবাদী এবং পুরুষতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে কিছু ছাত্র সংগঠন ‘সান্ধ্য আইন’ পুরোপুরি বাতিলের বদলে নামমাত্র সংস্কারের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছে। নারীদের বৃহত্তর গণআন্দোলন থেকে বিচ্ছিন্ন রাখাও এদের উদ্দেশ্য। নিরাপত্তার নামে হলবন্দি রাখা রাষ্ট্র-প্রশাসনকেই ২৪ ঘণ্টা নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের পুরুষতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রতিনিধিত্বকারী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন অব্যাহত রাখতে হবে। 

নারী বিদ্বেষী ‘সান্ধ্য আইন’ বাতিল কর

 আন্দোলন প্রতিবেদন 
শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬  |  অনলাইন সংস্করণ

১৯৯৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীরা তাদের হলে আরোপিত ‘সূর্যাস্ত আইন’-এর বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছিল। ‘সূর্যাস্ত আইন’ হলো সূর্যাস্তের সাথে সাথে শিক্ষাথর্ীদের হলে ফিরতে হবে এবং হলের গেট বন্ধ করে দেয়া হবে। এই সামন্ততান্ত্রিক আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের কারণে প্রশাসন ‘সূর্যাস্ত আইন’ কিছুটা শিথিল করে রাত ১০টা পর্যন্ত হলে প্রবেশাধিকার দেয়। তখন থেকে নানা সময়, এমনকি ২৪’র গণঅভ্যুত্থানের পরও এ নিয়ে আন্দোলন করা হয়। রাত ১০টার পর হলের বাইরে থাকা নারী শিক্ষার্থীদের প্রতিনিয়ত হল প্রশাসন দ্বারা চরিত্রহননসহ নানা হেনস্তার শিকার হতে হয়। নিরাপত্তার নামে তাদেরকে নিজ হলে নির্দিষ্ট সময় পর প্রবেশ করতে দেওয়া হয় না। 

এই অন্যায়, বৈষম্যমূলক আইনের বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদের প্ল্যাটফর্ম ‘অবরোধবাসিনী’ জুলাই’২৬-র শেষ দিক থেকে আন্দোলন শুরু করেছেন। তারা ‘সান্ধ্য-আইন’ সম্পূর্ণ বাতিল, অনাবাসিক নারী শিক্ষার্থীদের এবং নারী স্বজনদের রুমে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার তিনটি দাবিতে আন্দোলন করছেন। প্ল্যাটফর্মটিতে বিপ্লবী, গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীলসহ বিভিন্ন ধারার বাম সংগঠনের নারীরা যুক্ত আছেন। বিপ্লবী নারীমুক্তি, বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলন এবং বামধারার ছাত্র সংগঠনগুলো শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনের প্রতি পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করেছে। ‘অবরোধবাসিনী’-র দাবির প্রতি একাত্মতা পোষণ করে ১২০০’র বেশি নারী শিক্ষার্থী গণস্বাক্ষর করেছেন। 

তবে প্রতিক্রিয়াশীল, ধর্মবাদী এবং পুরুষতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে কিছু ছাত্র সংগঠন ‘সান্ধ্য আইন’ পুরোপুরি বাতিলের বদলে নামমাত্র সংস্কারের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছে। নারীদের বৃহত্তর গণআন্দোলন থেকে বিচ্ছিন্ন রাখাও এদের উদ্দেশ্য। নিরাপত্তার নামে হলবন্দি রাখা রাষ্ট্র-প্রশাসনকেই ২৪ ঘণ্টা নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের পুরুষতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রতিনিধিত্বকারী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন অব্যাহত রাখতে হবে। 

আরও খবর
 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র